বাসর রাতের প্রেম | Basor Rater Prem | bdstorybook.com

বাসর রাতের প্রেম

রাকিব হাসান। 

 
ছেলে: সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমি দেখি আমার দাদীর অবস্থা অত ভালো না।বলতে গেলে একদম মৃত্যুশয্যায় মুখোমুখি অবস্থা। আমি পাশে গেলাম আমাকে দেখে বলল। আমার অনেক ইচ্ছে ছিল তোর অনেকদিন বিয়ে খাওয়া কিন্তু পারলাম না। এমন অবস্থায় আমি বললাম। দাদি মা তুমি চিন্তা করিও না শীঘ্রই আমি বিয়ে করে নেব তুমি ঠিক হয়ে নাও। তোমার হাতে হাত রেখে আমি কথা দিলাম। আমার এই কথা বলা মাত্র যেন দাদীমা তার প্রাণ ফিরে পেল। আসলে সত্যি কথা বলতে কি আমাকে অনেক দিন থেকেই আমার পরিবার বলেছিল। যে আমার এখন একটা বিয়ে করা দরকার। কারন আমার সব দিক থেকে আমি ঠিক ছিলাম আমার ভালো একটা চাকরি ছিল। এবং ভালো দেখে একটা বাড়ি ছিল। তো তারা রীতিমতো ভাবে আমাকে বলতো। এবং আমার পরিবার থেকে এ সিদ্ধান্ত হলো যে কালকে আমার বিয়ে দেবে আমার বাবার নাকি বন্ধুর মেয়েকে দিয়ে। আমি রীতিমতো কোন ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। তবুও যখন তারা বলল তখন অবশ্যই প্রস্তুত হতে হলো। ও আসলে তো আমি পরিচয় হলাম না আমি রাকিব একটা ভালো মত চাকরি করি। চাকরি করার পাশাপাশি একটু লেখালেখি কে বেশি পছন্দ করি। গল্পকবিতা নাটক রচনা আমার প্রত্যেক দিনের ব্যাপার। যাইহোক এসব কথা এখন না কালকে আমার বিয়ে এখন শুধু অপেক্ষার পালা। আমার মনে কেমন জানি একটা অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করেছিল। কিছুতেই বুঝতে পারলাম না কি হবে? কারণ যে মেয়েটার সঙ্গে আমার বিয়ে দেবে তার সাথে আমার কোন পরিচয় নেই। তবে এই বিষয়ে আমি অনেক এক্সাইটেড ছিলাম কি হবে দেখা যাবে। বলতে বলতে এক দিন পার হয়ে গেল। আমার বিয়ের দিনে আমি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হলাম। ফ্রেশ হয়ে যাই প্রাইভেটকারে উঠলাম তখনই দেখলাম কাজী সাহেব উঠে আছে। আমিতো তাকে দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গেলাম। কারণ মেয়ে না দেখতেই কাজী সাহেব হাজির।কি ভাগ্য আমার অনেক ইচ্ছে ছিল প্রেম করে বিয়ে করার কিন্তু এখন আর কোনো ভাগ্যই ঠিক থাকলো না। অবশেষে আমি গাড়ি থেকে নামলাম প্রায় ত্রিশ মিনিটের পথ অতিক্রম করে। এবং আমার বাবার বন্ধুর বাসায় ঢুকলাম এখন শুধু অপেক্ষায় ছিলাম কখন সে মেয়েটা আসবে। অপেক্ষায় থাকতে-থাকতে অবশেষে সেই মেয়েটি এল 

 

বাসর রাতের প্রেম | Basor Rater Prem | bdstorybook.com
বাসর রাতের প্রেম | Basor Rater Prem | bdstorybook.com

 

 
মেয়ে: আসসালামু আলাইকুম আমি রিয়া অনেক ইচ্ছে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য কিন্তু ভর্তি হতে পারলাম একটা ভালো মত কলেজের ছাত্রী এখন আমি এই বিয়েতে আমার মত একেবারে ফিফটি পার্সেন্ট। কারন আমার কোনোভাবেই ইচ্ছে ছিল না। আমার ইচ্ছে ছিল আগে ভালোমতো গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করব। পরিবারের চাপে আজকে আমি এখানে বসে আছি। যাই হোক অবশেষে আমি একবার ছেলের দিকে তাকালাম। ছেলেটার দিকে তাকিয়ে আমার যেন কেমন মায়া অনুভব হল। বলতে গেলে আমার ফুল ক্রাশ ছিল সেই রাকিব। আমি তাকে দেখিয়ে রীতিমতো বিয়েতে হান্ডেট পার্সেন্ট রাজি হলাম। আমি যখন তার দিকে তাকালাম তখন আমার মা বলল। এখন ছেলেমেয়েদের আলাদাভাবে কথা বলার সুযোগ দেয়া হোক। তারপর সবাই চলে গেল। 
ছেলে : যখন সবাই আমাকে রেখে চলে গেল তখন আমি তার দিকে এক নজরে তাকিয়ে থাকলাম। তার চোখের দিকে তাকিয়ে আমি হারিয়ে গেলাম আমার দুনিয়ায়। ভাবলাম এতদিন কোথায় ছিল সে। কিন্তু মেয়েটা আমাকে কিছুই বলল না আমি বললাম কি নাম তোমার। 
মেয়ে: জি আমার নাম মোসাম্মৎ রিয়া। একটা কথা বলি। কিছু মনে করবেন না আপনাকে আমার কেমন লেগেছে? আর হ্যাঁ অবশ্যই সত্যি কথা বলবেন। কারণ সত্যি কথা বলাটা কে আমার অনেক বেশি পছন্দ। আর যদি আপনাকে আমার ভালো না লাগে তবুও বলবেন। আপনার সাথে আমাকে সারাটা জীবন থাকতে হবে। 
ছেলে: আচ্ছা, তাহলে আমি একটা সত্যি কথা বলি। প্রথমে বলতে গেলে তোমাকে আমার সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। যা কখনো অন্য কোন মেয়ের উপর ভালোলাগা কাজ করেনি।একটা সরাসরি কথা বলি বিয়ে করবে কি আমায়? 
 
মেয়ে: আমি মনে মনে ভাবলাম কি ছেলে সরাসরি মেয়েকে বিয়ের কথা বলে। যাইহোক সেই যেহেতু আমার প্রথম দেখার ক্রাশ ছিল তাই আর আমি দেরি না করে বললাম তাহলে কাজী সাহেব কে আসতে বলেন। আমার এই কথা বলা মাত্র কাজী সাহেব চলে এলেন। এবং কিছু লেখালেখি করলেন তার লেখা শেষে আমাকে বলল। কুবল বলার জন্য। তখন আমি কিছুতেই বুঝতে পারলাম না কি করবো এখন। বারবার শুধু বাবা-মাকে দেখতেছিলাম। কারণ আজ থেকে তাদেরকে আমি পর করে চলে যাব। গুছিয়ে নেব একটা নতুন জীবন।আসলে আমাদের মেয়েদের ভাগ্য এমনই যে সব ছেড়ে আমাদেরকে চলে যেতে হয় তাহলে এতদিনের ভালোবাসা পরিবারের মাঝে ভালোলাগাগুলো কোথায় চলে যায়। যখন কাজী সাহেব আমার এই রকম চিন্তা দেখল তখন বলল বলে দাও মা। তখন আমি রাকিবের দিকে তাকালাম এবং তার দিকে তাকিয়ে। জানো আমি সমস্ত কিছু একেবারে ভুলে গেলাম। শুধু তার একবার চোখের দিকে তাকিয়ে আমার মুখ থেকে বের হলো মহা প্রকম্পিত তিনটি শব্দ তিনটি কথা। আর তিনটি কথা হলো কবুল। 
 
ছেলে : রিয়া যখন আমার চোখের দিকে তাকিয়ে এরকম কথা বলল তখন সব থেকে বেশি আমাকে ভাল লেগেছিল। বলতে গেলে কি তার কাছে একেবারে আমি প্রেমে পড়ে গেলাম। রিয়ার স্মৃতিকথা শেষ হতে আমি আমার মনের আবেগ থেকে বললাম কবুল।আমি যখন এই কথা বললাম তখন আমাদের পরিবারের সবাই বলল যাক বাবা আলহামদুলিল্লাহ সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেল। তারপরে ব
রিয়া সবার থেকে বিদায় নিয়েছিল। 
 
মেয়ে: রাকিব যখন আমাকে কবুল বলেছিল তখন সব থেকে বেশি ভালো লেগেছিল। অবশেষে আমি রাকিবের বাসায় যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে নিলাম। এবং সবার থেকে বিদায় নিলাম। কেমন জানি একটা বিয়োগ বাথ্যা আমার মাঝে কাজ করলো তখন? কিন্তু যাই হোক একটা বিষয় বলতে কি রাকিব কে আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছিল। তাই একটু ব্যাথাটা ভুলে গেলাম। অবশেষে আমি আর রাকিব দুইজন দুইজনের পাশে বসে। শেষ পর্যন্ত চলে গেলাম তাদের বাসায়। ও এখন তো আর তাদের বাসা না আমাদের দুইজনের বাসা। আমি আমার রুমে ঢুকলাম রাকিবকে নিয়ে। মানে আমি আমার বাসর ঘরে ঢুকলাম। আমাদের এই ঘর দেখিয়ে আজকে অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে। যাই হোক আমাদের আজকে প্রেমের বাসর হবে তো সেজন্য একটু সুন্দর লাগছে। 
ছেলে: রিয়া বাসর ঘরে ঢুকে সবকিছু দেখছিল তখন আমি বললাম কি দেখছেন আমার আদরের মহারানী তো মহারানী এখন তো একটু বসে থাকি পা ব্যথা করতেছে। অতঃপর আমি ও রিয়া আমাদের খাটের উপর বসলাম। একটু সাহস করে একটু ভয়ে তার হাতে হাত রাখলাম। দেখলাম রিয়া আমাকে কিছুই বলল না। আমি রিয়াকে বললাম তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় এই প্রথমবার আমি কখনো জানতে চাবো না তোমার অতীতের জীবনে কোন ঘটনা কিংবা কোন কাহিনী। তবে তোমাকে আরেকটা বিষয় বলে এটা কিন্তু তোমাকে আমাকে কথা দিতে হবে বিষয়টা হলো আমাকে তুমি সারাটাজীবন ভালোবাসবে আমি পরিবারের সবাইকে তুমি শ্রদ্ধা করবে তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করবে। তারা যদি কখনো কোনো বিষয়ে তোমাকে বারণ করে তাহলে তার নিকটবর্তী হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কথা বলবেন না কারণ তুমি তাদের থেকে অনেক ছোট। তাদেরকে তুমি সম্মান করবে এবং আমার 
শ্রেষ্ট বউ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে আমি যদি কখনো তোমাকে ছেড়ে দূরে চলে যায়। তবে তুমি তোমার স্নিগ্ধতায় আমাকে বারে বারে ফিরে আনবে। তোমার সমস্ত ভালোলাগা আর ভালোবাসা গুলো আমাকে দিয়ে দিবে কথা দাও। আমার ইচ্ছের সঙ্গে তোমার ইচ্ছে গুলোকে একসাথে ঘুরে আমরা আমাদের প্রতিদিন হাজারো স্বপ্নের সংসার পাতাবো। আর আমার স্বপ্নে শুধু তুমি হবে আমার রানী আর আমি হব তোমার একমাত্র রাজা। আমাদের রাজ্যে হবে এই প্রেমময় কাব্যের প্রতিটি শহরের অলিগলি এবং আমাদের মাঝে ভালোবাসা থাকবে অফুরন্ত কোন বিকেলের সেই স্মৃতিটুকু মাঝে। আমাকে তুমি আরো কথা দাও তুমি শুধু আমারই থাকবে আমাকে ভালোবাসবে তোমার মাঝে খুজে নেবে। কখনো তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে না তো। যদি আমি তোমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে তুমি তোমার স্নিগ্ধতায় আমাকে ফিরিয়ে আনবে। 
 
 
:মেয়ে : আমি তো তোমার সমস্ত কথা মেনে নিলাম কিন্তু তুমি আমাকে কথা দাও তুমি আমায় কখনো ছেড়ে চলে যাবে না আমার মাঝে তুমি তোমার স্বপ্ন আকবে। আমাদের ভালোবাসা হবে এই পৃথিবীর এক আকাশের মত যে আকাশে সবসময় তাঁর সৌন্দর্য লক্ষ্য করা যায় এই আকাশ যখনই যে অবস্থায় থাকে সে অবস্থায় তাকি সবথেকে বেশি ভালো লাগে। আমরা মানুষ আমরা আকাশের থেকে কোন ব্যতিক্রম না আমাদের যৌবন কাল আমাদের বৃদ্ধকাল পর্যন্ত তুমি আমাকে ভালোবাসবে কথা দাও। আমাকে কখনো ভুলে যাবে নাতো তুমি তোমাকে ভুলে গেলে যা আমি এই পৃথিবীতে আর বাঁচবো না সেই জন্য আমি তোমাকে কখনো ভুলে যাব না। তোমার ভালোবাসাগুলো শুধু আমাকে দেবে কথা দাও। তুমি আমাকে আরো কথা দাও কখনো আমাকে ছেড়ে চলে যাবে না যাবে না তো। আরেকটা কথা শোনো আমাদের প্রেম হবে প্রত্যেক দিন তো বটেই কিন্তু বিকেল করে একটু বেশি কারণ শেষ বিকেলে যখন তুমি ক্লান্ত হয়ে অফিস থেকে ফিরে আসবে তখন আমরা দুইজন দুইজনের হাত ধরে একসাথে উপভোগ করব গোধূলি লগ্ন যে লগ্নে তুমি আমাকে শুধু দেখতে পাচ্ছ এবং তোমার সমস্ত ক্লান্তি গুলো একেবারে দূর হয়ে যাবে। আর ঠিক তখনই আমাদের প্রেম টা গরম গরম চায়ের কাপে জমে উঠবে। ও আসলে তো তোমাকে বলা হয় নাই আমার একটা বদ অভ্যাস আছে শুনবে কি? আচ্ছা, আমি বলতেছি তাহলে শোনো আমার বদভ্যাসগুলো আমি রাতে একটা হোক দুইটা হোক তোমার কাছে আবদার করতে পারি আজকে আমরা বারান্দায় বসে চাঁদ দেখবো তখন কিন্তু কিছুতেই তুমি না বলতে পারবে না আচ্ছা। এটা তো গেল আমার প্রথম কথা আমার দ্বিতীয় কথা যেন দ্বিতীয় কথা হল আমি অনেক রাগী মেয়ে যখন তুমি অন্য কোন মেয়ের সঙ্গে কথা বলবে তখন কিন্তু তোমাকে আমি ছাড়বো না। তোমাকে কিন্তু শুধু আমাকে ভালবাসতে হবে। 
 
ছেলে: আচ্ছা, তোমাকে আমি কথা দিলাম সমস্ত কিছু কিন্তু আমারও যে একটা বদ অভ্যাস আছে এখন আমার বদ অভ্যাস টা একদম তোমার মতোই শুনবে তাহলে আমার বদ অভ্যাস টা কি? তাহলে শোনো আমার বদঅভ্যাসটা হলো আমি রাত 1 টা হোক 2:00 হোক তোমাকে কিন্তু কিস করবো আচ্ছা। 
 
মেয়ে : আমি কি তোমার সাথে ফাজলামো করি তোমার মনে হচ্ছে? আমি এখন আমার হাসবেন্ডের সঙ্গে কথা বলতে চাই প্রেমের কথা আর তুমি কোন কথার থেকে কোন কথাতে নিয়ে গেলে ধুর ভালো লাগেনা। যাইহোক আমার হাজবেন্ডের যখন বলতেছে এসব কথা তখন অবশ্যই আমি রাজি কিন্তু আমার কথাগুলা মান্য করার পর আমি রাজি। বুঝলেনআমার হাজব্যান্ড মোঃ রাকিব হাসান। 
 
ছেলে : আচ্ছা, আচ্ছা আমার মহারানী টা 
তাহলে রাগ করেছে এখন। জি আমার মহারানী আপনি রাগ করিয়েন না এতে রাগ করলে যে এই রাজকুমার যে ভালো থাকেনা। এই ছেলেটা যে এখন আপনার প্রেমে পাগল হয়েছে তাই এইসব কথা বলল বুঝলেন। কিন্তু আপনি দ্রুত হ্যাঁ বলছেন তাহলে ছেলেটা রাজী হয়েছে খুশি হয়েছে। আচ্ছা, মহারানী এখন তো একটু কাছে আসা হোক। মানে এখন তো আমাদের একটু ভালোবাসা হোক। মানে কিভাবে বোঝাবো তোমায় আজ আমার মাথাটা ব্যথা করতেছে একটু হাত বুলিয়ে দেবে? 
তারপরে আমি রিয়ার কোলে আমার মাথাটা রাখলাম।রিয়া সে নরম হাতে আমার মাথা বুলিয়ে দিয়েছিল তখন আমাকে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছিল। তখন আমাকে স্বপ্ন দেখালে ছিল নতুন নতুন প্রেমের কত কল্পকাহিনীর কথার মাঝে। অবশেষে আমরা মাথার ব্যথা দূর হলে আমি রিয়ার আরেকটু কাছে গেলাম। আমার কাছে যাওয়াই রিয়া একটু বল আমাকে। 
 
মেয়ে: মহারাজ এত তাড়াতাড়ি কেন এখনো তো অনেক রাত বাকি আছে মহারাজ। আরেকটু রাত হতে দিন তারপরে আমরা একে অপরের কাছে আসবো মহারাজ। তো এখন কি করব আমরা বলো তো।আমার তো ইচ্ছে এখন আমি আর তুমি একসঙ্গে বসে কাছাকাছি এসে দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে কিছু মনের কথা বলি। 
 
 
ছেলে: ও আচ্ছা তাহলে তোমার ইচ্ছে আমরা সারারাত গল্প করে কাটাবো তা হবে না। এখন শুধু আমাদের মাঝে প্রেম আর প্রেম হবে। আর আমার প্রেমের মাঝে তুমি আমাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্ন দেখবে বুঝতে পেরেছ তাহলে। 
 
মেয়ে: রাকিব যখন আমাকে বারবার তার কাছে আসার জন্য অনুরোধ করেছিল। তখন আর আমি কী ভাবে না করি। একটা অদ্ভুত এবং অব্যক্ত ভালোবাসার মাঝে আমি একে অপরের কাছে আসলাম। যখনই আমি রাকিবের চোখে চোখ রাখলাম তখনই যেন সবকিছু ভুলে গেলাম। জানি না এজন্য হয়তো বিধাতা আমাদেরকে একে অপরের জন্য সৃষ্টি করেছে একটা ভালোবাসার মাঝে বন্ধনের মাধ্যমে। 
 
ছেলে : রিয়ার একেবারে কাছে গেলাম কাছে গিয়ে দেখলাম রিয়া একটু অন্যরকম মুচকি হাসি ভেসে গেল।ঠিক তখনি আমি রিয়ার দিকে চোখ দিতে গিয়ে আমার দেখে চোখে চোখ রাখল একটা অদ্ভুত বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে আমরা ২জন ২জনকে দেখতে লাগলাম। 
 

বাসর রাতের প্রেম | Basor Rater Prem | bdstorybook.com

Leave a Reply

Your email address will not be published.